Header Ads Widget

পাগল সিরিজ || পাগল ও বিচারক || প্রবীর মজুমদার


 

যাহা বলিব সত্য বলিব,
সত্য বই মিথ্যা বলিব না—
এই শপথে বলছি হুজুর,
মামলার আমি সবই জানি,
কার ফরিয়াদ, কে আসামী,
কেইবা উকিল, কে বিচারক,
কেই বা শুধু গলাচ্ছে নাক,
সবই জানি, সবই বুঝি;
যদিও লোকে পাগল বলে,
সে অভিযোগ আমিও মানি।

মনটা দিয়ে শুনুন হুজুর,
বলছি আমি সত্য কথা,
দামাল দামড়া ছোঁড়ারা সব,
প্রৌঢ় কিছু আছেন বটে,
দুষ্টু একটু হতেও পারে,
যে বয়সের ধর্ম যা
মানতে তাকে হবেই হবে।
কি আর এমন দোষ হয়েছে?
নিজেকে ভেবে বিচার করুন।
দিব্যি দিয়ে বলছি মশাই,
আসামীরা সমাজসেবী,
পাগল হলেও চিনতে পারি,
কসুর এদের নেইকো কারো।
কেউবা পুলিস, কেউ আমলা,
কেউ কেউবা বুদ্ধিজীবী,
দলের বিপদ বা সম্পদ,
কেউবা করেন অধ্যাপনা,
ফুটো মস্তান কেউবা আবার,
কেউবা মহান ধর্মাবতার—
পরিচয়টা যেমনই হোক,
আসামিরা চরিত্রবান।
মদের ঘোরে রিপুর টান
কেইবা বলুন এড়াতে পারে?
কু-পুরুষ, বা মহাপুরুষ
প্রকৃতির ডাকে সবই সমান!
হলফ করে বলছি আমি,
আসামীদের যেমন চিনি,
ফরিয়াদিকেও চিনতে পারি,
চলার পথে প্রায়ই দেখি।
পোশাক কিংবা চলন, বলন
পৌরুষ উস্কে দিতেও পারে!
নারী নরকের দ্বার হুজুর,
এমন কথা শাস্ত্রে লেখা—
আমিতো স্লা হদ্দ পাগল,
শাস্ত্র বানী তবুও মানি।
ধর্মাবতার, বলছি শুনুন,
ফরিয়াদিকে পুড়িয়ে মারুন,
অথবা গায়ে কলঙ্ক লেপুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ